২১/১. অধ্যায়ঃ
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা
ন্যায্য মূল্য ও কষ্টহীন মুক্তির পথ
সহীহ মুসলিম : ৩৬৬৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৬৬৬
وَحَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، - يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ - عَنْ سَعِيدِ بْنِ، أَبِي عَرُوبَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ " إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ قُوِّمَ عَلَيْهِ الْعَبْدُ قِيمَةَ عَدْلٍ ثُمَّ يُسْتَسْعَى فِي نَصِيبِ الَّذِي لَمْ يُعْتِقْ غَيْرَ مَشْقُوقٍ عَلَيْهِ " .
সা’ঈদ ইবনু আবূ ‘আরূবাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইবন আবূ আরূবাহ (রহঃ) হতে সানাদে বর্ণিত। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশী উল্লেখ করেছেন যে, "যদি সে মুক্তিদাতা বিত্তবান না হয় তখন ঐ ক্রীতদাসের প্রচলিত মূল্য স্থির করতে হবে। এরপর সে (দাস) তার অবশিষ্টাংশ মুক্ত করার লক্ষ্যে উপার্জনে নিয়োজিত হবে। তবে এ ব্যাপারে তাকে (মুক্তিদাতাকে) সাধ্যাতীত কষ্টে ফেলা যাবে না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৩২,ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৬৩২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের দাসমুক্তির বিধানের সঙ্গে একটি বাড়তি ব্যাখ্যা এসেছে। যদি মুক্তিদাতার কাছে পর্যাপ্ত সম্পদ না থাকে, তাহলে ক্রীতদাসের প্রচলিত ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এরপর সে ক্রীতদাস তার অবশিষ্ট অংশ মুক্ত করার জন্য উপার্জনে নিযুক্ত হবে। তবে পরিষ্কার বলা হয়েছে, তাকে সাধ্যের বাইরে কষ্টে ফেলা যাবে না। এখানে মুক্তির পথ বন্ধ করা হয়নি, আবার অমানবিক চাপও দেওয়া হয়নি। যৌথ মালিকানা, ন্যায্য মূল্য, অবশিষ্ট অংশ এবং সামর্থ্য—এই চারটি বিষয় হাদিসে খুব সুন্দরভাবে এসেছে। দাসমুক্তির হাদিসগুলো দেখায়, মুক্তির পথে আর্থিক দায় আছে, কিন্তু মানুষের ক্ষমতা ও কষ্টের কথাও গুরুত্ব পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সম্পদ না থাকলে ন্যায্য মূল্য ধরে অবশিষ্ট অংশের হিসাব করা হবে।
- ক্রীতদাস উপার্জনের মাধ্যমে মুক্তির চেষ্টা করতে পারে।
- তার উপর সাধ্যের বাইরে কষ্ট চাপানো যাবে না।
- মুক্তির বিধানে ন্যায় ও সহজতার দিক রাখা হয়েছে।
