২১/১. অধ্যায়ঃ
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা
দুই মালিকের ক্রীতদাস: মুক্তির দায় কার?
সহীহ মুসলিম : ৩৬৬৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৬৬৪
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي الْمَمْلُوكِ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيُعْتِقُ أَحَدُهُمَا قَالَ " يَضْمَنُ" .
আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ক্রীতদাসটি দুইজনের মালিকানাধীন, তার একজন নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে অপরজনের অংশেরও সে যিম্মাদার হবে (যদি সে বিত্তবান হয়)।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৩০,ই.সে ৩৬৩০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় যৌথ ক্রীতদাস মুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলা হয়েছে। কোনো ক্রীতদাস যদি দুইজনের মালিকানাধীন হয় এবং তাদের একজন নিজের অংশ মুক্ত করে দেয়, তবে সে অপরজনের অংশেরও দায় বহন করবে—যদি সে বিত্তবান হয়। এখানে দাসমুক্তির সঙ্গে দায়িত্বের কথা এসেছে। নিজের অংশ মুক্ত করাই শেষ কথা নয়; যদি সামর্থ্য থাকে, তাহলে বাকি অংশের অধিকারীকে তার ন্যায্য অংশ দিতে হবে। এতে ক্রীতদাসের মুক্তির পথ সহজ হয়, আবার অন্য মালিকের অধিকারও নষ্ট হয় না। এই হাদিসের মূল শব্দ হলো: যৌথ মালিকানা, মুক্তি, দায়, সামর্থ্য এবং ন্যায্যতা। সংক্ষিপ্ত হলেও এটি ন্যায়ভিত্তিক একটি বিধান তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যৌথ মালিকানায় নিজের অংশ মুক্ত করলে দায়িত্ব তৈরি হতে পারে।
- বিত্তবান হলে অপর অংশের মূল্য বহনের কথা এসেছে।
- দাসমুক্তির সঙ্গে অন্য মালিকের অধিকারও বিবেচনা করা হয়েছে।
- ইসলামী বিধানে মুক্তি ও ন্যায় একসঙ্গে রাখা হয়েছে।
