১৯/৪. অধ্যায়ঃ
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বলাক্ব হবে না
ইখতিয়ার তালাক নয়: অনুরূপ বর্ণনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৫৮১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৫৮১
وَحَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، وَعَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، بِمِثْلِهِ.
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে আসওয়াদ (রহঃ)-এর সূত্র হতে বর্ণিতঃ
মাসরূক (রহঃ) বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৫২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৫৫২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৫৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, মাসরূক (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা আছে। তাই এর মূল বিষয় আগের ধারার সঙ্গে যুক্ত—রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর স্ত্রীদের ইখতিয়ার দিয়েছিলেন, তাঁরা তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন, এবং তা তালাক হিসেবে গণ্য হয়নি। এই ধরনের সংক্ষিপ্ত অনুরূপ বর্ণনা হাদিস অধ্যয়নে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একই বিষয়ে একাধিক সনদ বা ভাষা থাকলে মূল বিষয় আরও দৃঢ়ভাবে বোঝা যায়। তবে এখানে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নেই, তাই ব্যাখ্যায় বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, ইখতিয়ার দেওয়ার ঘটনাকে তালাক ভাবা হয়নি। দাম্পত্য বিষয়ে কোনো শব্দের ফল বুঝতে হাদিসের পূর্ণ ধারাটি দেখা জরুরি। একই সঙ্গে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে রাখা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুরূপ বর্ণনা আগের মূল বক্তব্যকে সমর্থন করে।
- এই ঘটনার ইখতিয়ার তালাক হিসেবে গণ্য হয়নি।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস ব্যাখ্যায় আগের পূর্ণ বর্ণনার সঙ্গে মিল রাখা দরকার।
- দাম্পত্য বিষয়ে শব্দের অর্থ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
