১৭/১৬. অধ্যায়ঃ
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ
ওয়ালীমায় আগ্রহীকে বাধা ও অনিচ্ছুককে ডাকার নিন্দা
সহীহ মুসলিম : ৩৪১৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪১৭
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ زِيَادَ بْنَ سَعْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ ثَابِتًا، الأَعْرَجَ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُمْنَعُهَا مَنْ يَأْتِيهَا وَيُدْعَى إِلَيْهَا مَنْ يَأْبَاهَا وَمَنْ لَمْ يُجِبِ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ নিকৃষ্টতম খাদ্য হল ওয়ালীমার খাদ্য, যেখানে আগমনকারীদের বাধা দেওয়া হয় এবং অনিচ্ছুকদের দাওয়াত দেয়া হয়। যে ব্যক্তি দাওয়াতে সাড়া দেয় না, সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (ﷺ)-এর নাফরমানী করল।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৯০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৩৮৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) ওয়ালীমার একটি ভুল রূপের নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, নিকৃষ্টতম খাদ্য হলো সেই ওয়ালীমার খাদ্য, যেখানে যারা আসতে চায় তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং যারা আসতে চায় না তাদের ডাকা হয়। এতে দাওয়াতের ভেতরের অসংগতি বোঝা যায়। দাওয়াত যেন সম্মান, আনন্দ ও সম্পর্কের মাধ্যম হয়; কাউকে অপমান বা বাদ দেওয়ার উপায় না হয়। হাদিসে আরও বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি দাওয়াতে সাড়া দেয় না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নাফরমানী করল। তাই দাওয়াতদাতা ও দাওয়াতপ্রাপ্ত—দুজনের জন্যই শিক্ষা আছে। একজন যেন ন্যায়ভাবে ডাকে, আর অন্যজন যেন অকারণে দাওয়াত উপেক্ষা না করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালীমায় আগ্রহী মানুষকে বাধা দেওয়া নিন্দনীয়।
- অনিচ্ছুকদের বেছে ডাকা দাওয়াতের সুন্দর উদ্দেশ্য নষ্ট করে।
- দাওয়াত পেলে অকারণে সাড়া না দেওয়া ঠিক নয়।
