১৭/১৬. অধ্যায়ঃ

দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ

খাবারের দাওয়াতে সাড়া ও খাওয়ার স্বাধীনতা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪১০

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالاَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَامٍ فَلْيُجِبْ فَإِنْ شَاءَ طَعِمَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنُ الْمُثَنَّى ‏"‏ إِلَى طَعَامٍ ‏"‏ ‏.

জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া হয়, তখন সে যেন দাওয়াতে সাড়া দেয়। অতঃপর ইচ্ছা করলে আহার করবে, না হয় না করবে। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) তার বর্ণনায় ‘পানাহারের দিকে’ কথাটি উল্লেখ করেননি।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৮৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৩৮২

সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪১০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে খাবারের দাওয়াত সম্পর্কে একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কাউকে খাবারের জন্য দাওয়াত দিলে সে যেন সাড়া দেয়। এরপর চাইলে সে খাবে, আর চাইলে খাবে না। এতে বোঝা যায়, দাওয়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্য শুধু খাওয়া নয়; দাওয়াতদাতার মন রাখা, সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সৌজন্য দেখানোও এর অংশ। কখনো মানুষের বিশেষ অবস্থা থাকতে পারে। সে হয়তো খেতে চাইছে না বা খাওয়ার সুযোগ নেই। তবুও উপস্থিত হয়ে দাওয়াতে সাড়া দিতে পারে। এই হাদিস খাবারের দাওয়াত, ইসলামী আদব, সামাজিক সম্পর্ক এবং ব্যক্তির অবস্থার প্রতি সহজতা শেখায়। দাওয়াত গ্রহণের ক্ষেত্রে কঠোরতা নয়, বরং সুন্দর ব্যবহার এখানে বেশি স্পষ্ট।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খাবারের দাওয়াতে সাড়া দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আদব।
  • দাওয়াতে গিয়ে খাওয়া বা না খাওয়ার সুযোগ আছে।
  • দাওয়াতের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্ক ও সম্মান বজায় রাখা।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন