১৭/১৬. অধ্যায়ঃ
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ
সামান্য দাওয়াতেও সাড়া দেওয়ার নববী আদব
সহীহ মুসলিম : ৩৪০৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৪০৯
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا دُعِيتُمْ إِلَى كُرَاعٍ فَأَجِيبُوا " .
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : যখন তোমাদের বকরির পায়া খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হয়, তখন তোমরা তাতে সাড়া দিও।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৮২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৩৮১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৪০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) দাওয়াতের ব্যাপারে বিনয় শেখাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, বকরির পায়া খাওয়ার দাওয়াত দেওয়া হলেও তাতে সাড়া দিতে হবে। বকরির পায়া এখানে ছোট বা সাধারণ খাবারের দাওয়াত বোঝাতে এসেছে। অর্থাৎ দাওয়াতের মূল্য খাবারের বড়ত্ব দিয়ে মাপা উচিত নয়। কেউ আন্তরিকভাবে ডাকলে তার ডাকে সাড়া দেওয়া সৌজন্যের বিষয়। এতে অহংকার কমে, মানুষের প্রতি সম্মান প্রকাশ পায় এবং সমাজে ভালোবাসা বাড়ে। এই হাদিস দাওয়াত কবুল করা, সাধারণ খাবারের দাওয়াত, বিনয় এবং মুসলিম সমাজের সুন্দর আচরণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। বড় আয়োজন না হলেও দাওয়াতকে হালকা মনে করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবার সামান্য হলেও দাওয়াতকে তুচ্ছ মনে করা উচিত নয়।
- দাওয়াতে সাড়া দেওয়া বিনয় ও সৌজন্যের প্রকাশ।
- মানুষের আন্তরিক ডাককে সম্মান করা ইসলামী আদব।
