১৭/৯. অধ্যায়ঃ
পূর্ব বিবাহিতার মৌখিক সম্মতি গ্রহণ এবং কুমারীর নীরবতা সম্মতি হিসেবে বিবেচিত হবে
বিবাহে নারীর সম্মতি: হাদিসের শিক্ষা
সহিহ মুসলিম : ৩৩৬৪
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৩৬৪
حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُنْكَحُ الأَيِّمُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ وَلاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ " أَنْ تَسْكُتَ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পূর্ব বিবাহিতাকে তার সুস্পষ্ট অনুমতি না নিয়ে এবং কুমারীকে তার সম্মতি না নিয়ে বিবাহ দেয়া যাবে না। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তার (কুমারীর) সম্মতি কিভাবে নেয়া যাবে? তিনি বললেন, সে নীরব থাকলে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩৩৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৩৩৭
সহিহ মুসলিম হাদিস ৩৩৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, পূর্ব বিবাহিতাকে তার সুস্পষ্ট অনুমতি না নিয়ে এবং কুমারীকে তার সম্মতি না নিয়ে বিবাহ দেওয়া যাবে না। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, কুমারীর সম্মতি কীভাবে বোঝা যাবে? তিনি বললেন, সে নীরব থাকলে। এই হাদিসে “বিবাহে নারীর সম্মতি”, “কুমারীর নীরবতা” এবং “পূর্ব বিবাহিতার অনুমতি” বিষয়গুলো সরাসরি এসেছে। এখানে শিক্ষা হলো, বিবাহে নারীর মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। পূর্ব বিবাহিতা নারীকে স্পষ্টভাবে জিজ্ঞেস করা হবে, আর কুমারীর লজ্জার বিষয়টি বিবেচনা করে তার নীরবতাকে সম্মতির লক্ষণ বলা হয়েছে। তবে এই নীরবতা হাদিসের নির্দিষ্ট কথার মধ্যেই বোঝা উচিত; জোর বা চাপের আলাদা আলোচনা এখানে নেই। মূল বার্তা হলো—বিবাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মেয়ের সম্মতি ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পূর্ব বিবাহিতার স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া তার বিবাহ দেওয়া যাবে না।
- কুমারীর সম্মতিও নিতে হবে।
- কুমারীর নীরবতাকে সম্মতির লক্ষণ হিসেবে বলা হয়েছে।
- বিবাহে নারীর মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।
