১৭/৪. অধ্যায়ঃ
কোন মহিলাকে তার ফুফুর কিংবা তার খালার সাথে একত্রে বিবাহ করা হারাম
ফুফু-খালাকে একত্রে বিবাহের নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৩৩২৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৩২৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ " لاَ يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا وَلاَ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا" .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন স্ত্রীলোক ও তার ফুফুকে এবং কোন স্ত্রীলোক ও তার খালাকে একত্র (একত্রে বিবাহ) করা যাবে না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৩০২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৩০০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিবাহের একটি স্পষ্ট সীমা জানিয়ে দিয়েছেন। কোনো স্ত্রীলোককে তার ফুফুর সঙ্গে একত্রে রাখা যাবে না, আবার কোনো স্ত্রীলোককে তার খালার সঙ্গেও একত্রে বিবাহ করা যাবে না। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ফুফু খালা একত্রে বিবাহের নিষেধ। এখানে শুধু নিকাহের অনুমতি বা নিষেধ নয়, কাছের আত্মীয়তার মর্যাদাও বোঝা যায়। এক পরিবারে এমন সম্পর্ক রাখা হলে ফুফু-ভাইঝি বা খালা-বোনঝির মাঝে কষ্ট, হিংসা বা সম্পর্কের টানাপোড়েন হতে পারে—হাদিসের ভাষা এসব ব্যাখ্যা না করলেও নিষেধটি খুব পরিষ্কার। একজন মুসলিমের জন্য বিবাহের সিদ্ধান্তে শরিয়তের সীমা জানা জরুরি। নিকাহ শুধু ব্যক্তিগত পছন্দ নয়; এতে আত্মীয়তা, দায়িত্ব এবং মানুষের অধিকারও জড়িত। বিষয়টি বাস্তব জীবনে সতর্কতা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফুফু ও ভাইঝিকে একত্রে বিবাহ করা নিষিদ্ধ।
- খালা ও বোনঝিকে একত্রে বিবাহ করা যাবে না।
- বিবাহের ক্ষেত্রে আত্মীয়তার অধিকার ও সম্মান রক্ষা করতে হয়।
- নিকাহের আগে শরিয়তের সীমা জানা দরকার।
