১৬/৯৭. অধ্যায়ঃ
কুবা মাসজিদের ফাযীলাত এবং তাতে সলাত আদায় ও তা যিয়ারাতের ফাযীলাত
কুবায় যাওয়ার নবীজির সহজ আমল
সহিহ মুসলিম : ৩২৮২
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩২৮২
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ، عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পদব্রজে বা বাহনে চড়ে 'কুবায়' আসতেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৫৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৫৪
সহিহ মুসলিম হাদিস ৩২৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পদব্রজে বা বাহনে চড়ে কুবায় আসতেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে মসজিদে কুবা যিয়ারতের একটি পরিষ্কার আমল পাওয়া যায়। আগের বর্ণনাগুলোর মতো এখানেও হেঁটে যাওয়া এবং বাহনে চড়ে যাওয়া—দুই অবস্থাই উল্লেখ হয়েছে। ফলে বোঝা যায়, কুবায় যাওয়া একটি নির্দিষ্ট বাহনের সঙ্গে সীমাবদ্ধ ছিল না। হাদিসে এই বর্ণনায় সালাতের সংখ্যা বলা হয়নি; তাই মূল ব্যাখ্যাও যাওয়া বা যিয়ারতের বিষয়েই রাখা উচিত। মসজিদে কুবা, কুবায় নবীজির আগমন এবং ইবাদতের জায়গার প্রতি ভালোবাসা—এসব শিক্ষা এই হাদিস থেকে সহজভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুবায় আসতেন।
- হেঁটে ও বাহনে—দুইভাবে যাওয়া বর্ণিত হয়েছে।
- কুবা মসজিদের সঙ্গে নবীজির আমলের সম্পর্ক আছে।
- হাদিস যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যায় ততটুকুই ধরে রাখা উচিত।
