১৬/৪৯. অধ্যায়ঃ

দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব

সহধর্মিণীদের মুযদালিফা থেকে আগে রওনার অনুমতি

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩০১৪

وَحَدَّثَنِيهِ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي رِوَايَتِهِ قَالَتْ لاَ أَىْ بُنَىَّ إِنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَذِنَ لِظُعُنِهِ ‏.

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ

উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে: “আসমা (রাঃ) বলেন, হে বৎস! নবী (ﷺ) তাঁর সহধর্মিণীকে অনুমতি দিয়েছিলেন।”

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৯৮৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৯৮৬

সহিহ মুসলিম হাদিস ৩০১৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। তবে এখানে আসমা (রাঃ)-এর কথায় একটি বিশেষ বাক্য এসেছে। তিনি বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর সহধর্মিণীদের অনুমতি দিয়েছিলেন। অর্থাৎ মুযদালিফা থেকে খুব ভোরে রওনা হওয়ার বিষয়টি নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতির সাথে যুক্ত। আগের বর্ণনায় আসমা (রাঃ) চাঁদ ডোবার পর রওনা হন, জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করেন এবং পরে নিজের জায়গায় সালাত আদায় করেন। এখানে সেই ঘটনার মূল শিক্ষা আরও স্পষ্ট হয়—হজের ভিড় ও যাত্রার কষ্টে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য সহজতা ছিল। “মুযদালিফা থেকে নারীদের রওনা”, “নবী صلى الله عليه وسلم-এর সহধর্মিণীদের অনুমতি” এবং “হজে নারীদের ছাড়” এই হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুযদালিফা থেকে আগে রওনার বিষয়টি নবী صلى الله عليه وسلم-এর অনুমতির সাথে এসেছে।
  • সহধর্মিণীদের জন্য এ ছাড়ের কথা বর্ণনায় উল্লেখ আছে।
  • একই ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা মূল বিষয় আরও পরিষ্কার করে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন