১৬/৪২. অধ্যায়ঃ
উট ও অন্যান্য সওয়ারীতে আরোহণ করে ত্বওয়াফ করা এবং আরোহীর জন্য লাঠি ইত্যাদির সাহায্যে পাথর স্পর্শ করা জায়িয
লোকদের কষ্ট না দিয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর তাওয়াফ
সহীহ মুসলিম : ২৯৬৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৯৬৬
حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى الْقَنْطَرِيُّ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ طَافَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ حَوْلَ الْكَعْبَةِ عَلَى بَعِيرِهِ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ كَرَاهِيَةَ أَنْ يُضْرَبَ عَنْهُ النَّاسُ .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ হতে বর্ণিতঃ
বিদায় হজ্জে রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উটে সওয়ার হয়ে কা‘বার চতুর্দিকে তাওয়াফ করেন এবং রুকন স্পর্শ করেন- লোকদের তাঁর নিকট থেকে হটিয়ে দেয়াটা অপছন্দ হওয়ার কারণে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৯৪২, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৯৪০
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৯৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিদায় হজে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর উটে সওয়ার হয়ে কা‘বার চারদিকে তাওয়াফ করেন এবং রুকন স্পর্শ করেন। হাদিসে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তাঁর কাছ থেকে লোকদের হটিয়ে দেওয়া অপছন্দ হওয়ায় তিনি এমনটি করেছেন। এই বর্ণনা নবী صلى الله عليه وسلم-এর মানুষের প্রতি কোমলতার দিক দেখায়। তিনি এমনভাবে তাওয়াফ করেছেন যাতে লোকদের সরিয়ে দিতে না হয়। বিদায় হজে ভিড় ছিল—এ কথা কাছাকাছি বর্ণনাগুলোতেও দেখা যায়। তবে এই হাদিসের মূল কথা হলো, সওয়ারিতে তাওয়াফের সঙ্গে মানুষের কষ্ট কমানোর দিকটি যুক্ত। তাই তাওয়াফ, রুকন স্পর্শ এবং মানুষের প্রতি দয়া—এই তিনটি শিক্ষা এখানে সহজভাবে ধরা পড়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم লোকদের সরিয়ে দেওয়াকে অপছন্দ করেছেন বলে বর্ণনা এসেছে।
- সওয়ারিতে তাওয়াফের একটি কারণ ছিল মানুষের কষ্ট কমানো।
- ইবাদতের সময় অন্যদের প্রতি কোমলতা বজায় রাখা দরকার।
- ভিড়ের অবস্থায়ও নবী صلى الله عليه وسلم মানুষের সুবিধা বিবেচনা করেছেন।
