১৬/২৮. অধ্যায়ঃ

হাজীদের জন্য ত্বওয়াফে কুদূম, অতঃপর সা’ঈ মুস্তাহাব

হজের ইহরামে তাওয়াফ ও সাঈর সুন্নাহ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৮৮

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ وَبَرَةَ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ - رضى الله عنهما - أَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَقَدْ أَحْرَمْتُ بِالْحَجِّ فَقَالَ وَمَا يَمْنَعُكَ قَالَ إِنِّي رَأَيْتُ ابْنَ فُلاَنٍ يَكْرَهُهُ وَأَنْتَ أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْهُ رَأَيْنَاهُ قَدْ فَتَنَتْهُ الدُّنْيَا ‏.‏ فَقَالَ وَأَيُّنَا - أَوْ أَيُّكُمْ - لَمْ تَفْتِنْهُ الدُّنْيَا ثُمَّ قَالَ رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْرَمَ بِالْحَجِّ وَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَسُنَّةُ اللَّهِ وَسُنَّةُ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم أَحَقُّ أَنْ تَتَّبِعَ مِنْ سُنَّةِ فُلاَنٍ إِنْ كُنْتَ صَادِقًا ‏.

ওয়াবারাহ্‌ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহর তওয়াফ করব অথচ আমি হজের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে।ইবনু উমর (রাঃ) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ (ﷺ) হজের ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ তওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রসূল (ﷺ)-এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮৬৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৮৬৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৮৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে একজন ব্যক্তি ইবনু উমর রাঃ-কে জিজ্ঞেস করেন, হজের ইহরাম বাঁধা অবস্থায় বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করা যাবে কি না। ইবনু উমর রাঃ বলেন, এতে বাধা কী? লোকটি আরেক ব্যক্তির অপছন্দের কথা বললে তিনি প্রথমে দুনিয়ার ফিতনার কথা নম্রভাবে স্মরণ করিয়ে দেন। এরপর তিনি নিজের দেখা আমল তুলে ধরেন—রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم হজের ইহরাম বেঁধেছেন, বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেছেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেছেন। তাই আল্লাহর হুকুম ও রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাহ কারও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের চেয়ে বেশি অনুসরণযোগ্য। এই হাদিসে হজের ইহরাম, বায়তুল্লাহ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া সাঈ এবং সুন্নাহ অনুসরণের শিক্ষা খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হজের ইহরাম অবস্থায় তাওয়াফ ও সাঈ রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আমলের মধ্যে আছে।
  • ধর্মীয় বিষয়ে ব্যক্তির অপছন্দের চেয়ে সুন্নাহকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
  • অন্যের ভুল দেখলেও ভাষা ও আচরণে ভারসাম্য রাখা উচিত।
  • আল্লাহর হুকুম ও রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর সুন্নাহ অনুসরণই নিরাপদ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন