১৬/২৬. অধ্যায়ঃ
বাধাপ্রাপ্ত হলে হালাল হওয়ার বৈধতা এং হাজ্জে ক্বিরান বৈধ হওয়ার বিবরণ
সহিহ মুসলিম : ২৮৮১
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৮১
وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ أَرَادَ ابْنُ عُمَرَ الْحَجَّ حِينَ نَزَلَ الْحَجَّاجُ بِابْنِ الزُّبَيْرِ . وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ هَذِهِ الْقِصَّةِ وَقَالَ فِي آخِرِ الْحَدِيثِ وَكَانَ يَقُولُ مَنْ جَمَعَ بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ كَفَاهُ طَوَافٌ وَاحِدٌ وَلَمْ يَحِلَّ حَتَّى يَحِلَّ مِنْهُمَا جَمِيعًا .
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন- ঐ বছর উমর (রাঃ) হজের সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদিসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, “তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হজ ও উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক তাওয়াফই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮৫৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৮৫৬
