১৬/২৩. অধ্যায়ঃ
তামাত্তু’ হাজ্জের বৈধতা
তামাত্তু হজ নিয়ে আলী ও উসমান (রাঃ)-এর আলোচনা
সহীহ মুসলিম : ২৮৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৫২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَقِيقٍ كَانَ عُثْمَانُ يَنْهَى عَنِ الْمُتْعَةِ، وَكَانَ، عَلِيٌّ يَأْمُرُ بِهَا فَقَالَ عُثْمَانُ لِعَلِيٍّ كَلِمَةً ثُمَّ قَالَ عَلِيٌّ لَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّا قَدْ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَجَلْ وَلَكِنَّا كُنَّا خَائِفِينَ .
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবন শাকীক (রহঃ) বলেছেন, উসমান (রাঃ) তামাত্তু হজ্জ করতে নিষেধ করতেন। আর আলী (রাঃ) তামাত্তু হজ্জ করার নির্দেশ দিতেন।অতএব উসমান (রাঃ) আলী (রাঃ)-এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর আলী (রাঃ) বললেন, আপনি অবশ্যই জানেন, আমরা নিশ্চিত রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে তামাত্তু হজ্জ করেছি। উসমান (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ; কিন্তু আমরা তখন আতঙ্কিত ছিলাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮২৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৮২৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দেখা যায়, উসমান (রাঃ) তামাত্তু হজ থেকে নিষেধ করতেন, আর আলী (রাঃ) তামাত্তু হজের নির্দেশ দিতেন। আলী (রাঃ) তাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে তারা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে তামাত্তু হজ করেছেন। উসমান (রাঃ) সেটি স্বীকার করেন, তবে বলেন, তখন তারা আতঙ্কিত ছিলেন। এই বর্ণনায় সাহাবীদের মধ্যে একটি আলোচনার ছবি পাওয়া যায়। এখানে কেউ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল অস্বীকার করছেন না; বরং ঘটনার অবস্থা ও প্রয়োগ নিয়ে কথা হচ্ছে। তাই হাদিসটি তামাত্তু হজ, সাহাবীদের মতভেদ এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীদের আলোচনায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল ছিল প্রধান দলিল।
- তামাত্তু হজ নিয়ে ভিন্ন মত থাকলেও মূল ঘটনা স্বীকার করা হয়েছে।
- কোনো আমলের সময়ের অবস্থা বুঝে কথা বলা দরকার।
- ইসলামী আলোচনায় সম্মান রেখে দলিল তুলে ধরা উচিত।
