১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ একবার করার বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৮৩২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৩২
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ، بْنُ حُمَيْدٍ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ، بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنه - يَقُولُ لَمْ يَطُفِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ أَصْحَابُهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلاَّ طَوَافًا وَاحِدًا . زَادَ فِي حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرٍ طَوَافَهُ الأَوَّلَ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীরা (রাঃ) একবার মাত্র সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করেছেন। মুহাম্মদ ইবনু আবু বকর-এর বর্ণনায় আছে, “তাঁর প্রথমবারের তাওয়াফ।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮০৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৮০৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাফা-মারওয়ার সাঈ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। জাবির রাঃ বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم এবং তাঁর সাহাবীরা সাফা ও মারওয়ার মাঝে একবার মাত্র সাঈ করেছেন। অন্য বর্ণনায় যোগ হয়েছে, এটি ছিল তাঁর প্রথম তাওয়াফের সঙ্গে সম্পর্কিত। হজ্জের আমল বুঝতে এই বর্ণনা দরকার, কারণ হজ্জে তাওয়াফ ও সাঈ কখন এবং কীভাবে করা হয়েছে, তা সাহাবীরা সরাসরি দেখে বর্ণনা করেছেন। এখানে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বা বিস্তারিত নিয়ম বলা হয়নি; শুধু বাস্তব ঘটনা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার মূল কথা হলো—নবী صلى الله عليه وسلم-এর হজ্জে সাফা-মারওয়ার সাঈ একবার হয়েছে। এই হাদিস হজ্জের ধাপ সাজাতে এবং তাওয়াফ-সাঈ নিয়ে ভুল ধারণা কমাতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়ার সাঈ নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের অংশ।
- এই বর্ণনায় একবার সাঈ করার কথা স্পষ্ট এসেছে।
- হজ্জের নিয়ম সাহাবীদের প্রত্যক্ষ বর্ণনা থেকে শেখা যায়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও আমলের গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়।
