১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
মিনার উদ্দেশে আবতাহ থেকে ইহরাম বাঁধা
সহীহ মুসলিম : ২৮৩১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৩১
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، - رضى الله عنهما - قَالَ أَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا أَحْلَلْنَا أَنْ نُحْرِمَ إِذَا تَوَجَّهْنَا إِلَى مِنًى . قَالَ فَأَهْلَلْنَا مِنَ الأَبْطَحِ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা ইহরামমুক্ত হবার পর নবী (ﷺ) আমাদেরকে (পুনরায়) ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন- যখন আমরা মিনার উদ্দেশে রওনা হলাম। অতএব আমরা 'আবতাহ' নামক স্থান থেকে ইহরাম বাঁধলাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮০৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৮০৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই ছোট হাদিসে হজ্জের একটি নির্দিষ্ট ধাপ বলা হয়েছে। সাহাবীরা আগে ইহরামমুক্ত হয়েছিলেন। এরপর নবী صلى الله عليه وسلم তাদেরকে আবার ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দেন, যখন তারা মিনার উদ্দেশে রওনা হচ্ছিলেন। বর্ণনায় বলা হয়েছে, তারা আবতাহ নামক স্থান থেকে ইহরাম বাঁধেন। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, তামাত্তু হজ্জে উমরার কাজ শেষ করে ইহরামমুক্ত হওয়ার পর হজ্জের জন্য আবার ইহরাম বাঁধতে হয়। এখানে কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই, বরং একটি বাস্তব আমল সংক্ষেপে জানানো হয়েছে। যারা হজ্জের ধাপগুলো জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে বোঝা যায়, মক্কায় অবস্থানের পর মিনায় যাওয়ার সময় নতুনভাবে হজ্জের নিয়ত ও ইহরাম শুরু করা হয়েছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামমুক্তির পর হজ্জের জন্য নতুন ইহরাম বাঁধার বিষয় এসেছে।
- মিনার উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় ইহরাম বাঁধা হয়েছিল।
- আবতাহ থেকে ইহরাম বাঁধার ঘটনা এই বর্ণনায় আছে।
- হজ্জের প্রতিটি ধাপ নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ অনুযায়ী করা উচিত।
