১৬/১৭. অধ্যায়ঃ
ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে
দুই ইবাদতের সওয়াব: হজ ও উমরা নিয়ে আয়িশা (রাঃ)-এর প্রশ্ন
সহিহ মুসলিম : ২৮১৮
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮১৮
وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، وَإِبْرَاهِيمَ، - قَالَ لاَ أَعْرِفُ حَدِيثَ أَحَدِهِمَا مِنَ الآخَرِ - أَنَّ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ - رضى الله عنها - قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ يَصْدُرُ النَّاسُ بِنُسُكَيْنِ . فَذَكَرَ الْحَدِيثَ .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! লোকেরা দুইটি ইবাদতের সওয়াব নিয়ে ফিরে যাচ্ছে... অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭৯৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৭৯৩
সহিহ মুসলিম হাদিস ২৮১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ)-এর কথাটি সংক্ষেপে এসেছে। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم), লোকেরা দুইটি ইবাদত নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। এরপর অবশিষ্ট ঘটনা পূর্বের হাদিসের মতো বর্ণিত হয়েছে। তাই এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো, আয়িশা (রাঃ) হজের পাশাপাশি উমরার সুযোগ নিয়েও ভাবছিলেন। পূর্বের বর্ণনা অনুযায়ী, পবিত্র হওয়ার পর তাঁকে তানঈম থেকে উমরার ইহরাম করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই হাদিসে নতুন বিশদ বিবরণ নেই, বরং একই ঘটনার সংক্ষিপ্ত পুনরুল্লেখ আছে। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার—এখানে যা আছে, তা হলো হজ ও উমরার দুই ইবাদতের প্রসঙ্গ এবং পূর্বোক্ত ঘটনার ইঙ্গিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ ও উমরা আলাদা ইবাদত হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
- আয়িশা (রাঃ) ইবাদতের সুযোগ নিয়ে আন্তরিক ছিলেন।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা বুঝতে পূর্বের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে পড়া যায়।
- হাদিসের বাইরে অতিরিক্ত ঘটনা যোগ না করাই নিরাপদ।
