১৬/১০. অধ্যায়ঃ
কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ
ইহরামে মাথার কষ্টে ফিদইয়াহর পুনরায় বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৭৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৭৬৮
حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَيَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ . بِمِثْلِهِ .
আইয়ূব (রহঃ) থেকে এ সানাদ হতে বর্ণিতঃ
সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৭৪৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৭৪৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৭৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বের হাদিসের মতো একই অর্থের বর্ণনা এসেছে। মূল বিষয় হলো, ইহরাম অবস্থায় মাথার পোকা বা কষ্টের কারণে যদি মাথা মুড়ানোর প্রয়োজন হয়, তাহলে শুধু মাথা মুড়ানোই নয়, এর বদলে ফিদইয়াহও দিতে হবে। যদিও এই বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তবুও এটি আগের বর্ণনার বিষয়কে শক্ত করে। সেখানে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কা‘ব ইবনু উজরাহ (রাঃ)-এর কষ্ট দেখে তাঁকে মাথা মুড়ানোর অনুমতি দেন এবং সাওম, মিসকিনকে খাবার বা কুরবানির মধ্যে একটি পথ নিতে বলেন। তাই এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড হলো ইহরামে ফিদইয়াহ, মাথা মুড়ানো, সাওম, সদাকা ও কুরবানি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিধান একাধিক সূত্রে বর্ণিত হওয়া বিষয়টির গুরুত্ব বোঝায়।
- ইহরামে মাথার কষ্ট হলে শরীয়তের নির্দেশিত ফিদইয়াহ আছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও মূল বিধান বুঝতে সহায়ক হতে পারে।
- সাওম, খাবার দান বা কুরবানি—ফিদইয়াহর পথ হিসেবে এসেছে।
