১৪/৩৮. অধ্যায়ঃ
মুহার্রমের সওমের ফাযীলাত
মুহাররমের সাওম ও রাতের সালাতের ফজিলত
সহীহ মুসলিম : ২৬৪৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৬৪৫
حَدَّثَنِي قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، الْحِمْيَرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ صَلاَةُ اللَّيْلِ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমাদানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম হচ্ছে আল্লাহর মাস মহররমের সাওম এবং ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে রাতের সালাত।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৬২২, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৬২১
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৬৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, রমাদানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম হলো আল্লাহর মাস মুহাররমের সাওম। আর ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের সালাত। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নফল আমলের কথা এসেছে—মুহাররমের সাওম এবং রাতের সালাত। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা স্পষ্ট। রমাদান ফরজ সাওমের মাস; তার পর নফল সাওমের মধ্যে মুহাররম মাসের সাওমের বিশেষ মর্যাদা উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে ফরজ সালাতের পর নফল সালাতের মধ্যে রাতের সালাতের গুরুত্ব এসেছে। তাই যারা “মুহাররমের রোজার ফজিলত”, “রমজানের পর কোন রোজা উত্তম” বা “রাতের সালাতের ফজিলত” খোঁজ করেন, এই হাদিস তাদের জন্য সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমাদানের পর মুহাররমের সাওমকে উত্তম বলা হয়েছে।
- মুহাররমকে হাদিসে আল্লাহর মাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ফরজ সালাতের পর রাতের সালাতের বিশেষ মর্যাদা এসেছে।
- নফল আমলে সাওম ও রাতের সালাত দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
