১৪/১৯. অধ্যায়ঃ
‘আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা
আশুরার রোজার ফজিলত ও গুরুত্ব
সহীহ মুসলিম : ২৫৫২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫৫২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - وَسُئِلَ عَنْ صِيَامِ، يَوْمِ عَاشُورَاءَ . فَقَالَ مَا عَلِمْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَامَ يَوْمًا يَطْلُبُ فَضْلَهُ عَلَى الأَيَّامِ إِلاَّ هَذَا الْيَوْمَ وَلاَ شَهْرًا إِلاَّ هَذَا الشَّهْرَ يَعْنِي رَمَضَانَ .
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে ‘আশুরার দিনে সাওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, “আমি অবগত হয়েছি যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দিন ব্যতীত অন্য কোন দিনের সাওমকে অন্য দিনের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না এবং এ মাস (রমজান) ব্যতীত অন্য কোন মাসের রোজাকে অন্য মাসের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৫২৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৫২৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে। তাঁকে আশুরার দিনে সাওম পালনের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তিনি জানেন যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এ দিন ব্যতীত অন্য কোনো দিনের সাওমকে অন্য দিনের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না। আর রমজান ছাড়া অন্য কোনো মাসের রোজাকে অন্য মাসের চেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করতেন না। এখানে আশুরার সাওম এবং রমজানের রোজার গুরুত্ব একসাথে বোঝা যায়। তবে হাদিসে যে সীমার মধ্যে কথা এসেছে, সেটুকুই বলা উচিত। অর্থাৎ আশুরার দিন নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। যারা মুহাররমের রোজা, আশুরার সাওমের ফজিলত এবং সহীহ মুসলিমের বর্ণনা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আশুরার সাওম রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।
- রমজান মাসের রোজার মর্যাদা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ফজিলতপূর্ণ আমল জানতে সাহাবীগণ নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল লক্ষ্য করতেন।
- সাওমের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা অনুসরণ করা জরুরি।
