১৪/১২. অধ্যায়ঃ
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
হাফসা (রাঃ)-এর বর্ণনায় সাওমে চুমু
সহিহ মুসলিম : ২৪৭৬
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৭৬
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ، عَنْ حَفْصَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ .
হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমের অবস্থায় চুমু দিতেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪৫২
সহিহ মুসলিম হাদিস ২৪৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় চুমু দিতেন। একই বিষয় আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনাতেও এসেছে। ফলে রোজা অবস্থায় চুমু নিয়ে নববী আমল সম্পর্কে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে এই আমল বুঝতে আত্মসংযমের বিষয়টি বাদ দেওয়া যায় না। কারণ একই অধ্যায়ের বর্ণনায় স্পষ্টভাবে এসেছে, রাসূল صلى الله عليه وسلم নিজের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে সবার চেয়ে বেশি সক্ষম ছিলেন। তাই এই হাদিসের মূল বার্তা হলো—সাওমে চুমু বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য নিজের নিয়ন্ত্রণ, রোজার মর্যাদা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করা জরুরি। এটি রমজানে দাম্পত্য আচরণ নিয়ে সহজ, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেক্সটনির্ভর শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমে চুমুর বর্ণনা একাধিক উম্মুল মুমিনীনের মাধ্যমে এসেছে।
- দাম্পত্য স্নেহের ক্ষেত্রেও রোজার সংযম মনে রাখতে হয়।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল বুঝতে তাঁর আত্মনিয়ন্ত্রণের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ।
- রোজার বিষয়ে নিজের দুর্বলতা বিবেচনা করা উচিত।
