১৪/১২. অধ্যায়ঃ
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
রোজা অবস্থায় চুম্বন বিষয়ে সাক্ষ্য
সহীহ মুসলিম : ২৪৬৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৬৪
حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ أَسَمِعْتَ أَبَاكَ يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ فَسَكَتَ سَاعَةً ثُمَّ قَالَ نَعَمْ .
সুফ্ইয়ান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কি তোমার আবাকে আয়েশা (রাঃ) থেকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছ যে, নবী (ﷺ) সওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন? তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, হ্যাঁ, শুনেছি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪৪০
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি তাঁর পিতাকে আয়িশা (রাঃ) থেকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন। তিনি কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর বলেন, হ্যাঁ, শুনেছি। এই বর্ণনায় ঘটনার পাশাপাশি রাবির সতর্কতাও বোঝা যায়। তিনি দ্রুত উত্তর না দিয়ে নীরব ছিলেন, পরে নিশ্চিতভাবে “হ্যাঁ” বলেন। হাদিসটির মূল শিক্ষা আগের বর্ণনার সাথে যুক্ত: সাওম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর চুম্বনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তবে এই বিষয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ ও সংযমের দিকটি ভুলে গেলে চলবে না, কারণ পরের বর্ণনাগুলোতে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের শক্তির কথা স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়িশা (রাঃ) থেকে সাওম অবস্থায় চুম্বনের বর্ণনা এসেছে।
- রাবি উত্তর দেওয়ার আগে সতর্কতা দেখিয়েছেন।
- হাদিস বুঝতে একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনাও দেখা দরকার।
- রোজা অবস্থায় সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ।
