১৪/১২. অধ্যায়ঃ

কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়

সাওম অবস্থায় চুম্বন: আয়িশা রা.-এর বর্ণনা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৬৩

حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُقَبِّلُ إِحْدَى نِسَائِهِ وَهُوَ صَائِمٌ ‏.‏ ثُمَّ تَضْحَكُ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমের অবস্থায় তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু দিতেন। তারপর তিনি হেসে দিলেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪০, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪৩৯

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় তাঁর কোনো কোনো স্ত্রীকে চুমু দিতেন। এরপর তিনি হেসে দেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। তবে একই বিষয়ের অন্য বর্ণনাগুলোতে প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের কথা এসেছে। এই হাদিসে দেখা যায়, রোজা অবস্থায় স্ত্রীর প্রতি স্নেহের একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, কিন্তু এটি সাধারণভাবে সবার জন্য একই মাত্রায় প্রযোজ্য কি না—সে বিষয়ে সতর্কতা দরকার। কারণ রোজা একটি সংযমের ইবাদত। তাই এই হাদিসের মূল আলোচনা হলো সাওম অবস্থায় চুম্বন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল এবং নিজের নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে সচেতন থাকা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আয়িশা (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর সাওম অবস্থার একটি ব্যক্তিগত আমল বর্ণনা করেছেন।
  • হাদিসটি সংক্ষিপ্ত; তাই অতিরিক্ত বিধান চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
  • রোজা সংযমের ইবাদত—নিজের অবস্থা বুঝে সতর্ক থাকা দরকার।
  • একই বিষয়ের অন্য বর্ণনায় নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন