১৪/৯. অধ্যায়ঃ
সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব
সাহরি থেকে ফজর সালাত: পঞ্চাশ আয়াতের ব্যবধান
সহীহ মুসলিম : ২৪৪২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৪২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، - رضى الله عنه - قَالَ تَسَحَّرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قُمْنَا إِلَى الصَّلاَةِ . قُلْتُ كَمْ كَانَ قَدْرُ مَا بَيْنَهُمَا قَالَ خَمْسِينَ آيَةً .
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সাহরী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। [রাবী আনাস (রাঃ) বলেন] আমি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহরী ও আজানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪১৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরি ও ফজর সালাতের সময়ের ব্যবধান সম্পর্কে খুব সুন্দর একটি তথ্য এসেছে। যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) বলেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সাহরি খেয়ে তারপর সালাতে দাঁড়িয়েছিলেন। আনাস (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, সাহরি ও আযানের মধ্যে কত সময় ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়। এখানে মূল শিক্ষা হলো—নবীজির সময়ে সাহরি ফজরের কাছাকাছি খাওয়া হতো, তবে সালাতের আগে কিছু সময় থাকত। এই হাদিস সাহরি দেরিতে খাওয়া, ফজর সালাতের প্রস্তুতি এবং সময়ের ভারসাম্য বোঝায়। এতে কোনো অতিরিক্ত দাবি নেই; শুধু সাহাবীর বর্ণনা অনুযায়ী বাস্তব সময়ের একটি মাপকাঠি পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির সঙ্গে সাহরি ফজরের কাছাকাছি সময়ে খাওয়া হয়েছে।
- সাহরি ও আযানের মাঝে পঞ্চাশ আয়াত পাঠের মতো সময় ছিল।
- সাহরি শেষে ফজর সালাতের প্রস্তুতি নেওয়া দরকার।
- রোজার আমলে সময়ের ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
