১৪/৯. অধ্যায়ঃ

সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব

সাহরি: মুসলিম সিয়ামের আলাদা পরিচয়

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৪০

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُلَىٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ ‏"‏ ‏.

‘আম্‌র ইবনু ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: আমাদের ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হল সাহরি খাওয়া।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪১৬

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৪০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আমাদের সিয়াম এবং কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। এখানে সাহরির গুরুত্ব শুধু খাবার হিসেবে নয়, মুসলিম সিয়ামের একটি আলাদা চিহ্ন হিসেবে এসেছে। তাই সাহরি খাওয়া রোজাদারের জন্য নবীজির নির্দেশনার সঙ্গে যুক্ত একটি আমল। হাদিসে কোনো জটিল আলোচনা নেই; খুব সহজভাবে বলা হয়েছে—সাহরি মুসলিমদের সিয়ামের পরিচয়কে আলাদা করে। এর মাধ্যমে রোজাদার বুঝতে পারে, সাহরি অবহেলার বিষয় নয়। তবে এই হাদিসে নির্দিষ্ট খাবার, পরিমাণ বা সময়ের বিস্তারিত বলা হয়নি। মূল বার্তা হলো—রোজার আগে সাহরি খাওয়া এবং নবীজির শেখানো সিয়ামের ধারা অনুসরণ করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সাহরি মুসলিমদের সিয়ামের একটি আলাদা চিহ্ন।
  • কিতাবীদের সিয়াম থেকে পার্থক্য হিসেবে সাহরি উল্লেখ হয়েছে।
  • সাহরি খাওয়া নবীজির শেখানো রোজার ধারার অংশ।
  • হাদিসে সাহরির গুরুত্ব সহজ ভাষায় এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন