১৪/৮. অধ্যায়ঃ
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই
সুবহে সাদিক স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত
সহীহ মুসলিম : ২৪৩৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৩৭
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَوَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ سَمُرَةَ، بْنَ جُنْدَبٍ - رضى الله عنه - وَهُوَ يَخْطُبُ يُحَدِّثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " لاَ يَغُرَّنَّكُمْ نِدَاءُ بِلاَلٍ وَلاَ هَذَا الْبَيَاضُ حَتَّى يَبْدُوَ الْفَجْرُ - أَوْ قَالَ - حَتَّى يَنْفَجِرَ الْفَجْرُ " .
সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ বিলালের আজান এবং এই শুভ্র রেখা যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সুবহে সাদিক সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪১৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪১৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, বিলালের আযান এবং শুভ্র রেখা যেন কাউকে ধোঁকায় না ফেলে, যতক্ষণ না ফজর স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। এখানে “সুবহে সাদিক” বা সত্য ফজরের ধারণা গুরুত্বপূর্ণ। রোজা শুরু করার সময় ফজরের সঙ্গে যুক্ত, তাই সাহরি বন্ধ করার ক্ষেত্রেও ফজর স্পষ্ট হওয়া জরুরি। হাদিসটি আমাদের শেখায়—রোজাদার যেন শুধু আগাম আযান বা অস্পষ্ট আলো দেখে সিদ্ধান্ত না নেয়। বরং ফজরের আসল আলামত স্পষ্ট হলে সে অনুযায়ী আমল করবে। এতে সাহরি, আযান, ফজর ও সিয়ামের সময় সম্পর্কে সহজ ও ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। এই শিক্ষা রমজানের প্রতিদিনের আমলে খুব প্রয়োজনীয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলালের আযান ফজরের চূড়ান্ত ঘোষণা নয়।
- অস্পষ্ট শুভ্র রেখা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
- সুবহে সাদিক স্পষ্ট হওয়া রোজার সময় বোঝায়।
- সাহরি ও ফজর বিষয়ে সতর্কতা দরকার।
