১৪/৮. অধ্যায়ঃ
সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই
সাহরি ও দুই আযান: পুনর্বর্ণনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৪৩০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৩০
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، كُلُّهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِالإِسْنَادَيْنِ كِلَيْهِمَا . نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব, ইবনুল মুসান্না এরা ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ)-এর বরাত হতে বর্ণিতঃ
ইবনু নুমায়েরের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪০৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪০৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি ইবনু নুমায়েরের বর্ণনার মতো একই মর্মের। অনুবাদে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে যে, অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র হলো সাহরি খাওয়া, বিলাল (রাঃ)-এর রাতের আযান এবং ইবনু উম্মু মাকতুমের আযান। আগের বর্ণনাগুলো থেকে বোঝা যায়, বিলালের আযান মানুষকে প্রস্তুত করার জন্য ছিল, আর ইবনু উম্মু মাকতুমের আযান ফজরের সময়ের সঙ্গে যুক্ত। এই পুনর্বর্ণনা দেখায় যে, বিষয়টি সাহাবায়ে কেরামের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং তা বিভিন্ন সানাদে সংরক্ষিত হয়েছে। রোজাদারের জন্য শিক্ষা হলো—সাহরি সময় নিয়ে অনুমান নয়, বরং নবীজির নির্দেশিত স্পষ্ট সীমা অনুসরণ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরি বিষয়ে নবীজির নির্দেশনা বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে।
- রাতের আযানকে ফজরের আযান মনে করা ঠিক নয়।
- রোজার সময় শুরু হওয়ার আগে পানাহারের অনুমতি আছে।
- দ্বীনের আমলে সময়জ্ঞান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
