১৪/২. অধ্যায়ঃ
চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা।
দশ, দশ ও নয়: মাস ঊনত্রিশ দিনের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৩৯৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৩৯৮
وَحَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَكَّائِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا عَشْرًا وَعَشْرًا وَتِسْعًا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিতঃ
মাস এত দিনে, এত দিনে ও এত দিনে হয়ে থাকে। এ সময় তিনি প্রথমে দশ আঙ্গুলে, দ্বিতীয়বার দশ আঙ্গুলে এবং তৃতীয়বার নয় আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করলেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৩৭৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৩৭৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) মাসের দৈর্ঘ্য বোঝাতে আঙুলের ইশারা ব্যবহার করেছেন। তিনি প্রথমে দশ আঙুল, দ্বিতীয়বার দশ আঙুল এবং তৃতীয়বার নয় আঙুল দেখালেন। এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে—কোনো মাস ঊনত্রিশ দিনেও হতে পারে। বর্ণনাটি মাস গণনার একটি খুব সহজ ও দৃশ্যমান শিক্ষা। এখানে রমজানের চাঁদ বা ঈদের কথা সরাসরি নেই, তবে রমজান মাসের হিসাব বোঝার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রোজা শুরু ও শেষ করার সময় মাসের দৈর্ঘ্য জানা দরকার। হাদিসটি শেখায়, মাস সব সময় ত্রিশ দিন হবে এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। নবী (صلى الله عليه وسلم) সাধারণ মানুষ যেন সহজে বুঝতে পারে, তাই হাতের ইশারায় মাসের হিসাব বুঝিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কোনো মাস দশ, দশ ও নয়—মোট ঊনত্রিশ দিন হতে পারে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) সহজ উদাহরণ দিয়ে শিক্ষা দিতেন।
- মাসের হিসাব সম্পর্কে অনুমানভিত্তিক ধারণা ঠিক নয়।
- রমজানের সময় নির্ধারণে মাস গণনা গুরুত্বপূর্ণ।
