১৩/৫০. অধ্যায়ঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশ পরিবারের জন্য সদাক্বাহ্ যাকাত খাওয়া হারাম, এরা হচ্ছে বনূ হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিব; এরা ছাড়া অন্য কারো জন্য যাকাত-সদাক্বাহ্ খাওয়া হারাম নয়
পথে পাওয়া খেজুর ও সাদাকার বিধান
সহীহ মুসলিম : ২৩৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৩৬৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ تَمْرَةً فَقَالَ " لَوْلاَ أَنْ تَكُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ لأَكَلْتُهَا " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৩৪৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৩৪৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم রাস্তায় একটি খেজুর পেলেন। সাধারণভাবে একটি খেজুর নষ্ট হতে দেওয়া ভালো নয়। কিন্তু তিনি বললেন, যদি এটা সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত, তাহলে তিনি তা খেয়ে নিতেন। এখানে মূল বিষয় হলো সাদাকার সম্পদ নিয়ে সতর্ক থাকা। নবী صلى الله عليه وسلم নিজের ব্যাপারে এমন জিনিস থেকেও বিরত থাকতেন, যার মধ্যে সাদাকার সম্ভাবনা ছিল। এই হাদিস হালাল খাবার, সন্দেহযুক্ত বস্তু এবং সাদাকার বিধান সম্পর্কে সরল কিন্তু গভীর শিক্ষা দেয়। সামান্য জিনিসের ক্ষেত্রেও দ্বীনের সীমা মানা কত গুরুত্বপূর্ণ, তা এই বর্ণনায় পরিষ্কার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্দেহ থাকলে খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকা উচিত।
- নবী صلى الله عليه وسلم সাদাকার সম্পদ নিজের জন্য গ্রহণ করতেন না।
- সামান্য সম্পদের ক্ষেত্রেও শরীয়তের বিধান মানা জরুরি।
- নষ্ট হওয়া ঠেকানোর ইচ্ছা থাকলেও বিধান আগে বিবেচনা করতে হয়।
