১২/৯. অধ্যায়ঃ
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়
কেয়ামতের দিন বিলাপের শাস্তির সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ২০৪৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২০৪৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدٍ الطَّائِيِّ، وَمُحَمَّدِ، بْنِ قَيْسٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالَ أَوَّلُ مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ بِالْكُوفَةِ قَرَظَةُ بْنُ كَعْبٍ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ فَإِنَّهُ يُعَذَّبُ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
‘আলী ইবনু রবী‘আহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হয়েছে, সে হচ্ছে কুফা নগরীর করজাহ ইবনে কা’ব। মুগিরা ইবনে শু’বা (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যার জন্য বিলাপ করে কান্না হয়, কেয়ামতের দিন তাকে এর জন্য ‘আযাব দেয়া হবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২০২৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০৩২
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুফা নগরীর করজাহ ইবনে কা’ব-এর বিষয়ে বলা হয়েছে যে, তাঁর জন্য প্রথম বিলাপ করা হয়েছিল। তখন মুগিরা ইবনু শু‘বা (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন: যার জন্য বিলাপ করে কান্না করা হয়, কেয়ামতের দিন তাকে এর জন্য আজাব দেওয়া হবে। এখানে ‘বিলাপ’ বা নিয়াহা মূল বিষয়। শুধু দুঃখ পাওয়া নয়, বরং মৃতের জন্য আক্ষেপ, চিৎকার, মাতম ও বিলাপধর্মী কান্নার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। হাদিসটি শোকের আদব, কেয়ামতের হিসাব এবং পরিবারের আচরণের গুরুত্ব বোঝায়। একজন মুসলিমের উচিত শোকের সময় ধৈর্য রাখা এবং বিলাপ থেকে দূরে থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাপ করে কান্না করা কেয়ামতের শাস্তির সতর্কতার সঙ্গে যুক্ত।
- মৃতের জন্য শোক প্রকাশে ইসলামী সীমা মানা দরকার।
- মুগিরা (রাঃ) নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর বাণী দিয়ে মানুষকে সতর্ক করেছেন।
- শোককে মাতমে পরিণত করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
