১১/৬. অধ্যায়ঃ
সূর্যগ্রহণের সলাতের জন্য আহবান করা এবং “আস্সলা-তু জা-মি‘আহ্” (সলাতের জামা‘আত) বলা প্রসঙ্গে
সূর্যগ্রহণে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল দেখার আগ্রহ
সহীহ মুসলিম : ২০০৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২০০৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ، أَخْبَرَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ حَيَّانَ بْنِ، عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا أَنَا أَتَرَمَّى، بِأَسْهُمٍ لِي عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ خَسَفَتِ الشَّمْسُ . ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِهِمَا .
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময় একবার আমি আমার তীর ছুঁড়ছিলাম, এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। অতঃপর পূর্বোক্ত বর্ণনাকারীর মতো বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৮৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৯৯৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আগের হাদিসের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। আবদুর রহমান ইবনু সামুরা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সময় তীর ছুঁড়ছিলেন। এমন সময় সূর্যগ্রহণ লাগল। এরপর তিনি আগের বর্ণনাকারীদের মতো ঘটনা বর্ণনা করেছেন। আগের বর্ণনায় এসেছে, তিনি নিজের কাজ ছেড়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে গেলেন এবং তাঁকে দোয়া, তাকবির, তাহমিদ, তাহলিল ও সালাতে মগ্ন অবস্থায় দেখলেন। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, সাহাবীরা আল্লাহর নিদর্শন দেখলে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল জানার জন্য খুব আগ্রহী হতেন। তারা কৌতূহল নিয়ে শুধু আকাশ দেখতেন না; বরং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কী করেন, সেটি দেখে আমল শিখতেন। গ্রহণের সময় সালাত, দোয়া ও আল্লাহর স্মরণই এখানে প্রধান শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীরা গ্রহণের সময় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল জানার চেষ্টা করতেন।
- আল্লাহর নিদর্শন দেখলে সাধারণ কাজ ছেড়ে ইবাদতে মন দেওয়া উচিত।
- গ্রহণের সময় দোয়া ও আল্লাহর স্মরণের শিক্ষা আগের বর্ণনার সঙ্গে যুক্ত।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল দেখে শেখা সাহাবীদের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল।
