১১/৪. অধ্যায়ঃ
সুর্যগ্রহণের সলাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জান্নাত ও জাহান্নামের যা কিছু উত্থাপন করা হয়েছে
সূর্যগ্রহণে সাহাবীদের সালাতের দৃশ্য
সহীহ মুসলিম : ১৯৮৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৯৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ أَتَيْتُ عَائِشَةَ فَإِذَا النَّاسُ قِيَامٌ وَإِذَا هِيَ تُصَلِّي فَقُلْتُ مَا شَأْنُ النَّاسِ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِنَحْوِ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ عَنْ هِشَامٍ
আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আয়িশা (রাঃ) এর নিকট এসে দেখলাম, লোকেরা সালাতে দাঁড়ানো এবং আয়িশা (রাঃ)-ও সালাত আদায় করছেন। আমি বললাম, লোকদের কী অবস্থা? হাদিসটি হিশামের সূত্রে বর্ণিত। ইবনু নুমাইরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৭৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৯৮০
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৯৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় সূর্যগ্রহণের সালাতের একটি দৃশ্য এসেছে। আসমা (রাঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে দেখলেন, লোকেরা সালাতে দাঁড়িয়ে আছে এবং আয়িশা (রাঃ)-ও সালাত আদায় করছেন। তিনি লোকদের অবস্থা জানতে চাইলে হাদিসটি আগের বর্ণনার মতো বর্ণিত হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো, সূর্যগ্রহণকে সাহাবীরা সাধারণ ঘটনা হিসেবে নেননি; তারা সালাতের দিকে ফিরে গেছেন। এই বর্ণনা আগের দীর্ঘ হাদিসের সমর্থন করে, যেখানে সূর্যগ্রহণের সময় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর দীর্ঘ সালাত, খুতবা, জান্নাত-জাহান্নাম দেখা এবং কবরের পরীক্ষার কথা এসেছে। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, গ্রহণের সময় আল্লাহর স্মরণ, সালাত এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মেনে চলাই ছিল সাহাবীদের পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্যগ্রহণের সময় সাহাবীরা সালাতে দাঁড়াতেন।
- আয়িশা (রাঃ)-এর আমল থেকেও গ্রহণের সময় সালাতের গুরুত্ব বোঝা যায়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও আগের বিস্তারিত হাদিসের মূল শিক্ষাকে সমর্থন করে।
- অস্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা দেখলে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া উচিত।
