১০/২. অধ্যায়ঃ
পানি প্রার্থনায় দু‘আ প্রসঙ্গে
মেঘ জমে প্রবল বৃষ্টি ও মানুষের কষ্টের বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ১৯৬৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৯৬৬
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، بِنَحْوِهِ وَزَادَ فَأَلَّفَ اللَّهُ بَيْنَ السَّحَابِ وَمَكَثْنَا حَتَّى رَأَيْتُ الرَّجُلَ الشَّدِيدَ تُهِمُّهُ نَفْسُهُ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে তবে এতে এ কথাও আছে যে, আল্লাহ তা‘আলা মেঘরাশিকে পুঞ্জীভূত করে দিয়েছেন আর তা আমাদেরকে প্লাবিত করে দিয়েছে। এমনকি দেখলাম বেশ শক্তিশালী ব্যক্তিও তার বাড়িতে ফিরে আসতে চিন্তায় পড়ে গেল।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৫১, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৯৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৯৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্বের বৃষ্টির ঘটনার অনুরূপ বর্ণনা। এতে অতিরিক্তভাবে বলা হয়েছে, আল্লাহ তা‘আলা মেঘরাশিকে পুঞ্জীভূত করে দিলেন এবং তা মানুষকে প্লাবিত করল। বৃষ্টি এত প্রবল ছিল যে বর্ণনাকারী দেখলেন, একজন শক্তিশালী ব্যক্তিও নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেল। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অতিবৃষ্টির বাস্তব কষ্টের দিকটি স্পষ্ট করে। আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, মানুষ প্রথমে অনাবৃষ্টির কষ্টে বৃষ্টির দোয়া চেয়েছিল; পরে অতিবৃষ্টির কষ্টও দেখা দেয়। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—প্রয়োজনের সময় আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চাইতে হয়, আবার ক্ষতির আশঙ্কায় আল্লাহর কাছেই নিরাপত্তা চাওয়া হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বৃষ্টি কখনো মানুষের জন্য কষ্টের কারণও হতে পারে।
- এই বর্ণনায় মেঘ জমে প্রবল বৃষ্টির কথা এসেছে।
- মানুষের দুর্বলতা ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- অনুরূপ বর্ণনায় অতিবৃষ্টির বাস্তব অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
