৮/৫. অধ্যায়ঃ
জুমু‘আর দিবসের মর্যাদা
জুমার দিন ও কেয়ামতের হাদিস
সহিহ মুসলিম : ১৮৬২
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৬২
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، - يَعْنِي الْحِزَامِيَّ - عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " خَيْرُ يَوْمٍ طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ أُدْخِلَ الْجَنَّةَ وَفِيهِ أُخْرِجَ مِنْهَا وَلاَ تَقُومُ السَّاعَةُ إِلاَّ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিন সেখান থেকে তাঁকে বের করে দেয়া হয়েছে, জুমার দিনই কেয়ামত সংঘটিত হবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮৪৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৮৫৪
সহিহ মুসলিম হাদিস ১৮৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন উত্তম। এ দিন আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিন তাঁকে সেখান থেকে বের করা হয়েছে। এই বর্ণনায় আরও এসেছে—জুমার দিনই কেয়ামত সংঘটিত হবে। তাই এই হাদিসে জুমার দিনের মর্যাদা আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জুমার দিন, আদম আ.-এর ঘটনা এবং কেয়ামতের কথা—এসব বিষয় এখানে সরাসরি এসেছে। হাদিসটি আমাদের মনে করায়, জুমার দিনকে শুধু সাপ্তাহিক দিন হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর নির্ধারিত বিশেষ দিন হিসেবে দেখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিন বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন।
- আদম আ.-এর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো জুমার দিনের সঙ্গে যুক্ত।
- এই বর্ণনায় কেয়ামত জুমার দিনে সংঘটিত হওয়ার কথা এসেছে।
- জুমার দিনকে ইবাদত ও স্মরণের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।
