১/৪. অধ্যায়ঃ
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে
সালাত, সিয়াম ও হালাল-হারাম মানার জান্নাতী শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮
وَحَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا مَعْقِلٌ، - وَهُوَ ابْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ - عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَرَأَيْتَ إِذَا صَلَّيْتُ الصَّلَوَاتِ الْمَكْتُوبَاتِ وَصُمْتُ رَمَضَانَ وَأَحْلَلْتُ الْحَلاَلَ وَحَرَّمْتُ الْحَرَامَ وَلَمْ أَزِدْ عَلَى ذَلِكَ شَيْئًا أَأَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَالَ " نَعَمْ " . قَالَ وَاللَّهِ لاَ أَزِيدُ عَلَى ذَلِكَ شَيْئًا .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কোন এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে আরজ করলেন, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি ফরজ সালাতসমূহ আদায় করি, রমজানের সিয়াম পালন করি, হালালকে হালাল জানি এবং হারামকে হারাম জানি এবং যদি এর অতিরিক্ত কিছু না করি, তাহলে আমি কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। সে ব্যক্তি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি এর উপর কিছুমাত্র বাড়াবো না।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করেন, যদি তিনি ফরজ সালাতসমূহ আদায় করেন, রমজানের সিয়াম পালন করেন, হালালকে হালাল জানেন এবং হারামকে হারাম জানেন, আর এর বেশি কিছু না করেন, তাহলে কি তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন? নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন—হ্যাঁ। লোকটি আল্লাহর কসম করে বলে, সে এর উপর কিছু বাড়াবে না। এখানে ফরজ সালাত ও রমজানের সিয়ামের গুরুত্ব স্পষ্ট। একই সঙ্গে হালাল-হারামের সীমা মানা যে ঈমানি জীবনের বড় অংশ, তাও বোঝা যায়। হাদিসটি মানুষের জন্য একটি পরিষ্কার বার্তা দেয়: আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ দায়িত্ব পালন এবং তাঁর সীমা মেনে চলা জান্নাতের আশার কারণ হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফরজ সালাতসমূহ আদায় করা মুসলিম জীবনের প্রধান দায়িত্ব।
- রমজানের সিয়াম পালন স্পষ্টভাবে উল্লেখিত ফরজ আমল।
- হালাল ও হারামের সীমা মানা ঈমানি জীবনের অংশ।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) জান্নাতের প্রশ্নের জবাবে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন।
