৬/২৯. অধ্যায়ঃ
নাফ্ল সলাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মাসজিদে আদায়ও জায়িয
ঘরে সূরা বাকারা ও নফল সালাতের গুরুত্ব
সহিহ মুসলিম : ১৭০৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭০৯
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَارِيُّ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ مَقَابِرَ إِنَّ الشَّيْطَانَ يَنْفِرُ مِنَ الْبَيْتِ الَّذِي تُقْرَأُ فِيهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহকে কবর সদৃশ করে রেখো না (অর্থাৎ নফল সালাতসমূহ বাড়িতে আদায় করবে, কারণ যে ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়)।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৬৯৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৭০১
সহিহ মুসলিম হাদিস ১৭০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ঘরকে কবরের মতো বানিয়ে না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ ঘর যেন ইবাদতহীন, সালাতহীন এবং কুরআনহীন না হয়। হাদিসে আরও এসেছে, যে ঘরে সূরা বাকারা পাঠ করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। তাই ঘরে সূরা বাকারা পাঠ, নফল সালাত এবং আল্লাহর স্মরণ রাখার গুরুত্ব এখানে স্পষ্ট। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, মুসলিমের ঘর শুধু ঘুম, খাবার বা দুনিয়ার কাজের জন্য নয়; বরং তা আল্লাহর ইবাদতেরও স্থান। ঘরে কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস পরিবারকে দ্বীনের সঙ্গে যুক্ত রাখে। তবে হাদিসের বক্তব্যের বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়; এখানে মূল কথা হলো ঘরকে ইবাদত থেকে খালি না রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘরকে ইবাদতহীন করে রাখা উচিত নয়।
- ঘরে নফল সালাত আদায়ের শিক্ষা এই হাদিসে আছে।
- যে ঘরে সূরা বাকারা পাঠ হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালায়।
- কুরআন তিলাওয়াত ঘরের ঈমানি পরিবেশ গড়তে সাহায্য করে।
