৬/২৫. অধ্যায়ঃ
রমাযানে তারাবীহ সলাত আদায় করা প্রসঙ্গে উৎসাহ প্রদান করা
সহিহ মুসলিম : ১৬৬৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৬৬৯
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ فَصَلَّى فِي الْمَسْجِدِ فَصَلَّى رِجَالٌ بِصَلاَتِهِ فَأَصْبَحَ النَّاسُ يَتَحَدَّثُونَ بِذَلِكَ فَاجْتَمَعَ أَكْثَرُ مِنْهُمْ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي اللَّيْلَةِ الثَّانِيَةِ فَصَلَّوْا بِصَلاَتِهِ فَأَصْبَحَ النَّاسُ يَذْكُرُونَ ذَلِكَ فَكَثُرَ أَهْلُ الْمَسْجِدِ مِنَ اللَّيْلَةِ الثَّالِثَةِ فَخَرَجَ فَصَلَّوْا بِصَلاَتِهِ فَلَمَّا كَانَتِ اللَّيْلَةُ الرَّابِعَةُ عَجَزَ الْمَسْجِدُ عَنْ أَهْلِهِ فَلَمْ يَخْرُجْ إِلَيْهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَفِقَ رِجَالٌ مِنْهُمْ يَقُولُونَ الصَّلاَةَ . فَلَمْ يَخْرُجْ إِلَيْهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى خَرَجَ لِصَلاَةِ الْفَجْرِ فَلَمَّا قَضَى الْفَجْرَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ ثُمَّ تَشَهَّدَ فَقَالَ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّهُ لَمْ يَخْفَ عَلَىَّ شَأْنُكُمُ اللَّيْلَةَ وَلَكِنِّي خَشِيتُ أَنْ تُفْرَضَ عَلَيْكُمْ صَلاَةُ اللَّيْلِ فَتَعْجِزُوا عَنْهَا " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক রাতে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বাড়ি থেকে মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করলেন, অনেক লোকও তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। পরদিন লোকজন এ ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করল। সুতরাং ঐ দিন রাতে আরও বেশি লোক (মসজিদে) একত্রিত হল। ঐ দ্বিতীয় রাতে রসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে তাদের মাঝে উপস্থিত হলেন। সবাই তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। পরদিনও লোকজন এ ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করল।সুতরাং তৃতীয় রাতে লোকের সংখ্যা আরও বেড়ে গেল। রাতেও তিনি (ﷺ) মসজিদে তাদের মাঝে গেলেন। লোকজন তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। কিন্তু চতুর্থ রাতে লোক সংখ্যা এত বেশি হল যে, মসজিদে জায়গা সংকুলান হল না। কিন্তু রাতে রসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে আসলেন না। তাঁদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক লোক সালাত বলে ডাকতে শুরু করল। কিন্তু তিনি ঐ রাতে আর বের হলেন না। বরং ফজরের ওয়াক্তে বের হলেন। ফজরের সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ঘুরলেন, তাশাহহুদ পড়লেন, তারপর “আম্মাবাদ” বলে শুরু করলেন। তিনি বললেন: গতরাতে তোমাদের ব্যাপারটা আমার অজানা নয়। কিন্তু আমি আশঙ্কা করেছিলাম যে, রাতের এ সালাতটি তোমাদের জন্য ফরজ করে দেয়া হতে পারে। আর তোমরা তা পালন করতে অক্ষম হয়ে পড়বে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৬৫৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৬৬১
