৬/১৩. অধ্যায়ঃ
যুহার সলাত মুস্তাহাব আর তার সর্বনিম্ন (রাক’আতের পরিমান) হচ্ছে দু’ রাক‘আত, আর সম্পুর্ন হচ্ছে আট রাক‘আত, মধ্যম পরিমান হচ্ছে চার অথবা ছয় রাক‘আত এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষন করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান
চাশতের সালাত ও ‘মা-শা-আল্লাহ’ বর্ণনার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৫৪৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৫৪৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ وَقَالَ يَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ও শু’বাহ্ হতে বর্ণিতঃ
ইয়াজিদ থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তবে ইয়াজিদ তার বর্ণনায় “মা-শা-আল্লাহ” (আল্লাহ যা চান) কথাটি উল্লেখ করেছেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৫৩৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৫৪১
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৫৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইয়াজিদ থেকে একই সানাদে আগের বর্ণনার মতো হাদিস এসেছে। তবে এখানে একটি শব্দগত পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে—ইয়াজিদ তার বর্ণনায় “মা-শা-আল্লাহ”, অর্থাৎ “আল্লাহ যা চান” কথাটি বলেছেন। এর মাধ্যমে চাশতের সালাতের রাকাত বাড়ানোর প্রসঙ্গে আল্লাহর ইচ্ছার কথা স্পষ্ট হয়েছে। হাদিসের মূল বক্তব্য আগের বর্ণনার মতোই: রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) চাশতের সালাত চার রাকাত পড়তেন এবং আল্লাহ যা চাইতেন সে অনুযায়ী আরও বাড়াতেন। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ইবাদতের কথাও যত্নের সাথে শব্দ ধরে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই যুহা সালাত বা চাশতের নামাজের আলোচনায় শব্দের পার্থক্যও গুরুত্ব পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চাশতের সালাতের বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য সংরক্ষিত হয়েছে।
- রাকাত বাড়ানোর বিষয়টি আল্লাহর ইচ্ছার সাথে উল্লেখিত হয়েছে।
- হাদিস বর্ণনায় শব্দের আমানতদারি গুরুত্বপূর্ণ।
- একই বিষয়ে একাধিক বর্ণনা মূল অর্থকে আরও পরিষ্কার করে।
