৫/৫৩. অধ্যায়ঃ
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ?
ইমাম নির্বাচনের নিয়ম: কুরআন জানা ব্যক্তির অগ্রাধিকার
সহীহ মুসলিম : ১৪১৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪১৫
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا كَانُوا ثَلاَثَةً فَلْيَؤُمَّهُمْ أَحَدُهُمْ وَأَحَقُّهُمْ بِالإِمَامَةِ أَقْرَؤُهُمْ " .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তিনজন লোক একত্রিত হলে তাদের একজনকে তাদের ইমাম বা নেতা হতে হবে। আর তাদের মধ্যে ইমামত বা নেতৃত্বের সবচাইতে বেশি হকদার সেই ব্যক্তি যে সবচেয়ে বেশি কুরআন মাজিদ অধ্যয়ন করেছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৪০১, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৪১৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জামাতে সালাতের ইমাম নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বলা হয়েছে। রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনজন লোক একত্র হলে তাদের একজনকে ইমাম বা নেতা হতে হবে। আর তাদের মধ্যে ইমামতের বেশি হকদার সেই ব্যক্তি, যে কুরআন মাজিদ বেশি অধ্যয়ন করেছে। এখানে জামাতের শৃঙ্খলা এবং কুরআনের জ্ঞানের মর্যাদা দুটোই বোঝানো হয়েছে। সালাতে ইমাম শুধু সামনে দাঁড়ানো ব্যক্তি নন; তিনি জামাতকে সালাতে নেতৃত্ব দেন। তাই কুরআন জানা, কিরাআত জানা এবং আল্লাহর কিতাবের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক থাকা ইমামতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই হাদিস আমাদের শেখায়, নেতৃত্বে ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, যোগ্যতা ও দীনী জ্ঞানকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে সালাতের ইমাম নির্বাচনে কুরআনের জ্ঞান প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তিনজন একত্র হলে জামাতে একজন ইমাম থাকা উচিত।
- ইমামতের ক্ষেত্রে কুরআন বেশি জানা ব্যক্তি অগ্রাধিকার পায়।
- সালাতের জামাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি।
- নেতৃত্বে যোগ্যতা ও দীনী জ্ঞানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
