৫/৪০. অধ্যায়ঃ
ফজরের সলাত প্রত্যুষে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব যে সময়কে ‘তাগলীস্’ বলা হয় এবং তাতে কিরাআতের পরিমাণ
সালাত দেরি করার বিষয়ে সাহাবিদের প্রশ্ন
সহিহ মুসলিম : ১৩৪৭
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩৪৭
وَحَدَّثَنَاهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدٍ، سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ كَانَ الْحَجَّاجُ يُؤَخِّرُ الصَّلَوَاتِ فَسَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بِمِثْلِ حَدِيثِ غُنْدَرٍ .
মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনুল হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) সালাত দেরি করে আদায় করতেন। তাই আমরা জাবির ইবন আবদুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৩৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৩৪৬
সহিহ মুসলিম হাদিস ১৩৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দেখা যায়, হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ সালাত দেরি করে আদায় করতেন। এমন অবস্থায় সাহাবিদের অনুসারীরা চুপ করে না থেকে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর কাছে বিষয়টি জানতে চান। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, সালাতের সময় নিয়ে মুসলিমদের সচেতন থাকা দরকার। কেউ যদি নামাজ দেরি করে, তখন আবেগ বা ঝগড়ার বদলে জ্ঞানী ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা ভালো। এখানে সালাতের সময়, নামাজ দেরি করা এবং সাহাবিদের অনুসন্ধান—এই বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। হাদিসটি পুরো ঘটনার বিস্তারিত রায় দেয় না, বরং একটি বাস্তব অবস্থার কথা জানায়, যেখানে মানুষ সঠিক নির্দেশনা জানতে সাহাবির কাছে ফিরে গেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের সময় নিয়ে অবহেলা দেখলে জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করা উচিত।
- ধর্মীয় বিষয়ে অনুমান না করে সাহাবিদের জ্ঞান থেকে দিশা নেওয়া নিরাপদ পথ।
- নামাজ দেরি করার বিষয়টি মুসলিমদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত।
