১/৪. অধ্যায়ঃ
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে
জান্নাতের পথ: তাওহীদ, সালাত, যাকাত ও আত্মীয়তার সম্পর্ক
সহিহ মুসলিম : ১৩
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، وَأَبُوهُ، عُثْمَانُ أَنَّهُمَا سَمِعَا مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ هَذَا الْحَدِيثِ .
আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহিহ মুসলিম হাদিস ১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্বের বর্ণনার অনুরূপ। অর্থাৎ এখানে সেই একই শিক্ষা পুনরায় এসেছে—আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক না করা, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা। কখনো একই মূল শিক্ষার একাধিক বর্ণনা আসা বিষয়টির গুরুত্ব বোঝায়। তবে এই হাদিসের আলোচনায় অতিরিক্ত কোনো নতুন বিধান যোগ করা ঠিক নয়, কারণ অনুবাদে শুধু বলা হয়েছে যে এটি উপরোক্ত হাদিসের মতো। তাই মূল শিক্ষা হলো, জান্নাতের পথে চলতে হলে বান্দাকে তাওহীদে স্থির থাকতে হবে, ফরজ ইবাদত পালন করতে হবে এবং আত্মীয়তার হক নষ্ট করা যাবে না। এটি সহজ কিন্তু গভীর দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওহীদ জান্নাতের পথে সবচেয়ে মূল ভিত্তি হিসেবে এসেছে।
- সালাত ও যাকাতকে ফরজ দায়িত্ব হিসেবে গুরুত্ব দিতে হয়।
- আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা দ্বীনি আমলের অংশ।
- একই শিক্ষা বারবার আসা তার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
