১/২৮. অধ্যায়ঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ মুসলিমদের গালি-গালাজ করা গুনাহের কাজ এবং তাদের সাথে মারামারি করা কুফরী

গালি ও মারামারি থেকে বাঁচুন: মুসলিম চরিত্রের শিক্ষা

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১২৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، كِلاَهُمَا عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ-এর সূত্রে হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) থেকে অবিকল হাদিস বর্ণনা করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৩০

সহিহ মুসলিম হাদিস ১২৫-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم) থেকে আগের হাদিসের অবিকল অর্থ বর্ণিত হয়েছে। মূল শিক্ষা হলো, মুসলিমকে গালি দেওয়া গুনাহের কাজ এবং তার সঙ্গে মারামারি করা কুফরির মতো ভয়াবহ সতর্কতার বিষয়। একই কথা ভিন্ন সূত্রে আসায় বিষয়টির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়। আমরা অনেক সময় রাগের মাথায় কথা বাড়াই, গালি দিই বা হাত তুলতে চাই। কিন্তু হাদিসটি শেখায়, মুসলিমের ভাষা পরিষ্কার ও সংযত হওয়া দরকার। শুধু অন্যকে আঘাত না করা নয়, গালির মতো কথাও এড়িয়ে চলতে হবে। একজন মুসলিমের আচরণে নিরাপত্তা, সম্মান ও শান্তি থাকা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • গালি দেওয়া মুসলিম চরিত্রের সঙ্গে যায় না।
  • মারামারি বড় ধরনের সতর্কতার বিষয়।
  • একই হাদিস ভিন্ন সূত্রে আসা শিক্ষাকে জোরালো করে।
  • রাগের সময় ভাষা ও হাত সংযত রাখতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন