৫/২৮. অধ্যায়ঃ
সলাতে ধীরে-সুস্থে আসা উত্তম এবং দৌঁড়িয়ে আসা নিষেধ
সালাতে ধীরস্থিরভাবে আসার নববী আদব
সহীহ মুসলিম : ১২৪৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১২৪৭
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - أَخْبَرَنِي الْعَلاَءُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا ثُوِّبَ لِلصَّلاَةِ فَلاَ تَأْتُوهَا وَأَنْتُمْ تَسْعَوْنَ وَأْتُوهَا وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا وَمَا فَاتَكُمْ فَأَتِمُّوا فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا كَانَ يَعْمِدُ إِلَى الصَّلاَةِ فَهُوَ فِي صَلاَةٍ " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সালাতের জন্য ইকামত দেয়া হয়ে গেলে তোমরা দৌড়াদৌড়ি বা তাড়াহুড়া করে সালাতে এসো না। বরং প্রশান্তিসহ গাম্ভীর্য রেখে সালাতে শরীক হও। অতঃপর ইমামের সাথে যতটা সালাত পাও তা আদায় করো। আর যতটা না পাবে তা পূরণ করে নাও। কেননা তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সালাত আদায়ের সংকল্প করে তখন সে সালাতরত থাকে বলেই গণ্য হয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১২৩৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ১২৪৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ১২৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতে যাওয়ার একটি সুন্দর আদব শেখানো হয়েছে। ইকামত হয়ে গেলেও দৌড়াদৌড়ি বা তাড়াহুড়া করে মসজিদে যেতে বলা হয়নি। বরং সালাতের জন্য আসার সময় প্রশান্তি, স্থিরতা ও গাম্ভীর্য রাখতে বলা হয়েছে। সালাত শুধু শরীরের কাজ নয়; এতে মনও শান্ত থাকা দরকার। ইমামের সাথে যতটুকু সালাত পাওয়া যায় তা আদায় করতে হবে, আর যে অংশ ছুটে যায় তা পরে পূরণ করতে হবে। এখানে সালাতে ধীরস্থিরভাবে আসা, জামাতে সালাত এবং ছুটে যাওয়া রাকাত পূরণ—সবই সহজভাবে এসেছে। শেষ কথাটি বিশেষভাবে মনে রাখার মতো: কেউ যখন সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়, সে সালাতরত অবস্থার মতো গণ্য হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইকামত হয়ে গেলে সালাতে যাওয়ার সময় দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়।
- জামাতে যতটুকু সালাত পাওয়া যায়, সেটুকু ইমামের সাথে আদায় করতে হবে।
- যে রাকাত বা অংশ ছুটে যায়, তা পরে পূরণ করতে হবে।
- সালাতের উদ্দেশ্যে চলাও ইবাদতের গুরুত্ব বহন করে।
