১/২৫. অধ্যায়ঃ
মুনাফিকের স্বভাব
মুনাফিকের লক্ষণ: কথা, ওয়াদা ও আমানতের পরীক্ষা
সহিহ মুসলিম : ১১৫
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১১৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي الْعَلاَءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ، مَوْلَى الْحُرَقَةِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مِنْ عَلاَمَاتِ الْمُنَافِقِ ثَلاَثَةٌ إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ وَإِذَا ائْتُمِنَ خَانَ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুনাফিকের আলামত তিনটিঃ(১) সে কথা বললে মিথ্যা বলে।(২) ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে।(৩) এবং তার কাছে আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ১২০
সহিহ মুসলিম হাদিস ১১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুনাফিকের তিনটি আলামত আবারও স্পষ্টভাবে এসেছে। সে কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে। এই বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ইসলাম শুধু নাম বা পরিচয়ের বিষয় নয়; চরিত্র ও ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ। কারও সঙ্গে কথা বলার সময় সত্যবাদিতা দরকার। কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করার দায়িত্ব আছে। আর কেউ বিশ্বাস করে কিছু দিলে তা ঠিকভাবে ফেরত দেওয়া বা রক্ষা করা জরুরি। এই তিনটি জায়গায় দুর্বলতা থাকলে মানুষ নিজের ঈমানী চরিত্র নিয়ে ভাবতে পারে। তাই মুনাফিকের লক্ষণ জানার উদ্দেশ্য হলো অন্যকে দোষ দেওয়া নয়; আগে নিজেকে ঠিক করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিথ্যা বলা থেকে নিজেকে বাঁচানো দরকার।
- ওয়াদা ভঙ্গ করা মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করে।
- আমানত রক্ষা করা মুসলিম চরিত্রের চিহ্ন।
- মুনাফিকের আলামত জেনে নিজেকে সংশোধন করা উচিত।
