৫/১৬. অধ্যায়ঃ
ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাবার সামনে আসলে এবং তৎক্ষণাৎ খাবার ইচ্ছা থাকলে তা না খেয়ে ও পেশাব-পায়খানার বেগ চেপে রেখে সলাত আদায় করা মাকরূহ
খাবার সামনে থাকলে সালাতের আগে কী করবে
সহীহ মুসলিম : ১১২৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১১২৮
أَخْبَرَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا حَضَرَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ রাতের খাবার উপস্থিত থাকবে, এমন অবস্থায় যদি সালাতের ইকামাতও দেওয়া হয় তাহলে প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১১২১, ইসলামীক সেন্টারঃ ১১৩০
সহীহ মুসলিম হাদিস ১১২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم একটি বাস্তব ও সহজ নিয়ম শিখিয়েছেন। যদি রাতের খাবার সামনে উপস্থিত থাকে এবং একই সময় সালাতের ইকামাত দেওয়া হয়, তাহলে আগে খাবার খেয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হাদিসের ভাষা থেকেই বোঝা যায়—খাবার সামনে রেখে সালাতে দাঁড়ালে মন খাবারের দিকে যেতে পারে। তাই সালাতে মনোযোগ রাখার জন্য আগে প্রয়োজন মেটানো ভালো। এখানে সালাতকে হালকা করার কথা বলা হয়নি; বরং সালাত যেন শান্ত মনে আদায় করা যায়, সে দিকটি বোঝানো হয়েছে। এই হাদিসের মূল বিষয় খাবার ও সালাতের আদব। যখন বৈধ প্রয়োজন সামনে থাকে, তখন তাড়াহুড়া না করে মনকে স্থির করে ইবাদতে দাঁড়ানোই সুন্দর পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবার উপস্থিত থাকলে ইকামাতের পরও আগে খাবার খেতে বলা হয়েছে।
- সালাতে মনোযোগ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যস্ততা আগে শেষ করা ভালো।
- ইবাদতে তাড়াহুড়া নয়, মন স্থির থাকা জরুরি।
- দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনের মাঝেও সালাতের আদব আছে।
