২১/৩৫. অধ্যায়ঃ
কিসাস ক্ষমা করা
কিসাসের মামলায় ক্ষমা: নবী صلى الله عليه وسلم-এর কোমল পথের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৬৯২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৬৯২
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ الْمُزَنِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، قَالَ لاَ أَعْلَمُهُ إِلاَّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ مَا رُفِعَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَىْءٌ فِيهِ الْقِصَاصُ إِلاَّ أَمَرَ فِيهِ بِالْعَفْوِ .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কিসাস সংক্রান্ত কোন মোকদ্দমা উত্থাপিত হলেই তিনি তা ক্ষমা করে দেয়ার আহবান জানাতেন (বাদীর প্রতি)।
[২৬৯২] আবূ দাউদ ৪৪৯৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৬৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ) থেকে এসেছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে কিসাস সম্পর্কিত কোনো মামলা উঠলেই তিনি ক্ষমা করে দেওয়ার আহবান জানাতেন। হাদিসটি খুব সরল, কিন্তু এর শিক্ষা বড়। কিসাসের অধিকার থাকলেও নবী صلى الله عليه وسلم ক্ষমার দরজা খুলে দিতেন। এর মানে এই নয় যে অপরাধকে হালকা করে দেখা হবে; বরং হাদিস দেখায়, প্রতিশোধের পাশাপাশি ক্ষমাও একটি বড় নৈতিক পথ। যিনি ক্ষতিগ্রস্ত, তার অধিকার আছে; তবে ক্ষমা করলে বিবাদ কমে, মন নরম হয় এবং সমাজে শান্তির পথ তৈরি হতে পারে। তাই “কিসাসে ক্ষমা”, “দিয়াত” এবং “মাফ করার ফজিলত” এই হাদিসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিসাসের ঘটনায় ক্ষমার পথকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ক্ষতিগ্রস্তের অধিকার থাকলেও মাফ করা উত্তম পথ হতে পারে।
- নবী صلى الله عليه وسلم বিরোধ কমাতে ক্ষমার আহবান জানাতেন।
- ক্ষমা সমাজে শান্তির কারণ হতে পারে।
