১৬/৬. অধ্যায়ঃ
এক একটি খেজুরের বিনিময়ে এক বালতি করে পানি উত্তোলন এবং উত্তম খেজুরের শর্তারোপ।
কাজের আগে মজুরি স্পষ্ট করা: খেজুরের বিনিময়ে পানি তোলা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৪৪৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৪৪৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ كُنْتُ أَدْلُو الدَّلْوَ بِتَمْرَةٍ وَأَشْتَرِطُ أَنَّهَا جَلْدَةٌ
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি একটি করে খেজুর প্রদানের শর্তে (কূপ থেকে) এক বালতি করে পানি উত্তোলন করতাম এবং আমি শর্ত করতাম যে, সেটি চামড়া (ডেলা) হবে।
[২৪৪৭] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়া ৫/৩১৫। তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৪৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আলী (রাঃ) বলেন, তিনি একটি করে খেজুর প্রদানের শর্তে কূপ থেকে এক বালতি করে পানি তুলতেন। তিনি আরও শর্ত করতেন যে খেজুরটি ভালো মানের হবে। এখানে কাজের বিনিময় আগে থেকেই নির্ধারণ করার শিক্ষা পাওয়া যায়। কাজ ছোট হোক বা বড়, শ্রমের বিনিময় পরিষ্কার থাকা দরকার। এতে পরের ঝামেলা কমে এবং উভয় পক্ষের অধিকার বোঝা সহজ হয়। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে শ্রম, চুক্তি, মজুরি এবং মানসম্মত বিনিময়ের বিষয় উঠে এসেছে। একজন শ্রমিক তার কাজের বিনিময়ে কী পাবে, তা জানার অধিকার রাখে। আবার যিনি কাজ করাচ্ছেন, তিনিও চুক্তি অনুযায়ী পাওনা দেবেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের আগে বিনিময় বা মজুরি স্পষ্ট করা ভালো।
- শ্রমের বিনিময়ে নির্ধারিত পাওনা নেওয়া যায়।
- চুক্তির মান ও শর্ত পরিষ্কার থাকলে বিরোধ কমে।
- ছোট কাজের ক্ষেত্রেও শ্রমিকের অধিকার আছে।
