১০/২৯. অধ্যায়ঃ
দাসী দাসত্বমুক্ত হওয়ার সাথে সাথে বিবাহ রদের এখতিয়ার লাভ করে।
বারীরার ইদ্দত: তিন হায়েযকাল অপেক্ষার নির্দেশ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২০৭৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২০৭৭
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أُمِرَتْ بَرِيرَةُ أَنْ تَعْتَدَّ بِثَلَاثِ حِيَضٍ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বারীরাকে তিন হায়িজকাল ইদ্দত পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
[২০৭৭] তিরমিযী ১১৮২, আবূ দাউদ ২১৮৯, দারেমী ২২৯৪, ইরওয়াহ ২১২০, সহীহ, আবী দাউদ ১৯৩৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২০৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, বারীরাকে তিন হায়েযকাল ইদ্দত পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে ইদ্দতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের কথা এসেছে। বারীরার ঘটনা আগের হাদিসগুলোর সাথে যুক্ত, যেখানে তাঁর দাসত্বমুক্ত হওয়া, বিবাহের ইখতিয়ার এবং স্বামীর বিষয় এসেছে। এখানে শুধু ইদ্দতের নির্দেশ উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে বলা যায়, সম্পর্কের অবসান বা পরিবর্তনের পর শরিয়ত নির্দিষ্ট অপেক্ষার সময় রেখেছে। ইদ্দত শুধু সময় কাটানো নয়; এটি পারিবারিক বিধানের একটি অংশ। বারীরাকে তিন হায়েযকাল ইদ্দত পালনের নির্দেশ দেওয়া এই বিষয়ে সরাসরি শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বারীরার ক্ষেত্রে তিন হায়েযকাল ইদ্দতের নির্দেশ এসেছে।
- বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তনে ইদ্দতের বিধান প্রাসঙ্গিক।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও নির্দিষ্ট বিধান জানা যায়।
- ইদ্দত শরিয়তের পারিবারিক ব্যবস্থার অংশ।
