৭/৩৭. অধ্যায়ঃ
জুমুআর দিন সিয়াম রাখা।
শুধু জুমার দিনে সিয়াম রাখার বিধান
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৭২৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৭২৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ وَحَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ إِلَّا بِيَوْمٍ قَبْلَهُ أَوْ يَوْمٍ بَعْدَهُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমআর আগের দিন বা পরের দিনসহ সিয়াম রাখা ব্যতীত, কেবলমাত্র জুমআর দিন সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন।
[১৭২৩] সহীহুল বুখারী ১৯৮৫, মুসলিম ১১৪৪, তিরমিযী ৭৪৩, আবূ দাউদ ২৪২০, আহমাদ ১৭২৪৯০৩১, ৯১৮১, ৯৫৮৭, ১০০৫২, ১০৪২১৭২৫৫, ১০৫০৯, ইরওয়াহ ৯৫৯, ৯৮১, সহীহাহ ০৮১, ১০২২, সহীহ আবী দাউদ ২০৯১, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৭২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার দিনের সিয়াম সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট নির্দেশ এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কেবলমাত্র জুমার দিন সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন, তবে এর আগের দিন বা পরের দিনসহ হলে বিষয়টি আলাদা। তাই এই বর্ণনার মূল কথা হলো, শুক্রবারকে একা আলাদা করে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট না করা। হাদিসে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে—জুমার আগের দিন বা পরের দিনসহ সিয়াম রাখা ব্যতীত কেবল জুমার দিন সিয়াম রাখা নিষেধ। তাই কেউ জুমার সিয়াম বুঝতে চাইলে এই পার্থক্যটি জানা দরকার। এতে ইবাদতের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও রাসূলের নির্দেশ মানার শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কেবল জুমার দিন আলাদা করে সিয়াম রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।
- জুমার আগের বা পরের দিনসহ সিয়াম রাখার কথা হাদিসে এসেছে।
- নফল সিয়ামেও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনা মানা দরকার।
