পরিচ্ছেদঃ
এশার নামাযের পর কথাবার্তা বলা মাকরূহ
উদ্দেশ্য, যে সব কথাবার্তা অন্য সময়ে বলা মুবাহ (অর্থাৎ, যা করা না করা সমান)। নচেৎ যে সব কথাবার্তা অন্য সময়ে হারাম বা মাকরূহ, সে সব এ সময়ে আরো অধিকভাবে হারাম ও মাকরূহ। পক্ষান্তরে কল্যাণমূলক কথাবার্তা; যেমন জ্ঞানচর্চা, নেক লোকদের কাহিনী ও চরিত্র আলোচনা, মেহমানের সঙ্গে বাক্যালাপ, কারো প্রয়োজন পূরণ প্রসঙ্গে কথা ইত্যাদি বলা মকরূহ নয়; বরং তা মুস্তাহাব। অনুরূপভাবে আকস্মিক কোন ঘটনাবশতঃ বা কোন সঠিক ওযরে কথা বলা অপছন্দনীয় কাজ নয়। উক্ত বিবৃতির সমর্থনে বহু বিশুদ্ধ হাদীস বিদ্যমান রয়েছে।
হাদিস সম্ভার : ৭৪৩
হাদিস সম্ভারহাদিস নম্বর ৭৪৩
وَعَن أَنَسٍ أَنَّهُم انتَظَرُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَجَاءَهُمْ قَرِيباً مِنْ شَطْرِ اللَّيْلِ فَصَلَّى بِهِمْ - يَعَني : العِشَاءَ ثمَّ خَطَبنا فَقَالَ أَلاَ إِنَّ النَّاسَ قَدْ صَلَّوا ثُمَّ رَقَدُوا وَإِنَّكُمْ لَنْ تَزَالُوا فِي صَلاَةٍ مَا انْتَظَرْتُمُ الصَّلاَةَ رواه البخاري
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন (মসজিদে) সাহাবায়ে কেরাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আগমনের প্রতীক্ষায় ছিলেন। অতঃপর তিনি প্রায় অর্ধ রাত্রিতে তাঁদের নিকট আগমন করলেন এবং তাঁদেরকে নিয়ে নামায অর্থাৎ, এশার নামায পড়লেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি আমাদের মাঝে বক্তব্য রাখলেন। তাতে তিনি বললেন, “শোন! লোকে নামায সমাধা ক’রে ঘুমিয়ে পড়েছে। আর তোমরা যতক্ষণ পর্যন্ত নামাযের অপেক্ষা করছিলে, ততক্ষণ পর্যন্ত অব্যাহতভাবে নামাযের মধ্যেই ছিলে।” (বুখারী ৬০০নং)